স্ত্রী ছাড়া কার সাথে স'হবা'স করা জায়েজ: ইসলামের স্পষ্ট বিধান কি জেনে নিন ...
ইসলামি শরিয়াহ অনুযায়ী যৌন সম্পর্ক বা সহবাসের বিষয়টি অত্যন্ত সুনির্দিষ্ট এবং কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রিত। পবিত্র কুরআন এবং সুন্নাহর আলোকে এ বিষয়ে স্পষ্ট বিধান নিচে তুলে ধরা হলো:
১. শুধুমাত্র বৈবাহিক সম্পর্ক (স্ত্রী)
ইসলামি বিধান অনুযায়ী, একজন পুরুষের জন্য শুধুমাত্র তার বিবাহিত স্ত্রীর সাথেই সহবাস করা বৈধ। আল্লাহ তাআলা পবিত্র কুরআনে মুমিনদের গুণাবলি বর্ণনা করতে গিয়ে বলেছেন:
> "আর যারা নিজেদের যৌনাঙ্গকে হেফাজত করে। তবে তাদের স্ত্রী অথবা মালিকানাধীন দাসীদের ক্ষেত্র ছাড়া, এতে তারা নিন্দিত হবে না।" (সূরা আল-মুমিনুন, আয়াত: ৫-৬)
>
২. বর্তমান প্রেক্ষাপটে দাসী প্রথা
কুরআনের আয়াতে 'মালিকানাধীন দাসী'র (মা-মালাকাত আইমানুকুম) কথা উল্লেখ থাকলেও, বর্তমান যুগে বিশ্বব্যাপী দাসপ্রথা বিলুপ্ত হয়েছে। ইসলামি আইন বিশেষজ্ঞ এবং আলেমদের মতে, যেহেতু বর্তমানে শরিয়াহসম্মত দাসপ্রথা নেই, তাই বর্তমান সময়ে স্ত্রী ছাড়া অন্য কারো সাথে সহবাস করার কোনো বৈধ পথ নেই।
৩. বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক (জিনা)
স্ত্রী ছাড়া অন্য যেকোনো নারীর সাথে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করাকে ইসলামে 'জিনা' বা ব্যভিচার বলা হয়। এটি কবিরা গুনাহ এবং ইসলামি আইনে দণ্ডনীয় অপরাধ। পবিত্র কুরআনে আল্লাহ নির্দেশ দিয়েছেন:
> "আর তোমরা জিনার কাছেও যেও না। নিশ্চয় এটি অশ্লীল কাজ এবং মন্দ পথ।" (সূরা বনী ইসরাঈল, আয়াত: ৩২)
>
গুরুত্বপূর্ণ কিছু সতর্কতা:
* লিভ-ইন রিলেশনশিপ: বিবাহের চুক্তি বা 'নিকাহ' ছাড়া একসাথে বসবাস বা শারীরিক সম্পর্ক ইসলামে সম্পূর্ণ হারাম।
* বান্ধবী বা বাগদত্তা: বিয়ের কথা পাকাপাকি হলেও বা এনগেজমেন্ট হয়ে গেলেও, যতক্ষণ পর্যন্ত 'আকদ' (বিয়ে) সম্পন্ন না হচ্ছে, ততক্ষণ পর্যন্ত শারীরিক সম্পর্ক জায়েজ নয়।
* গোপন বিয়ে: সাক্ষী এবং অভিভাবকের অনুমতি ছাড়া বা শরিয়তের নিয়ম বহির্ভূত গোপন সম্পর্কও ইসলামে বৈধতা পায় না।
সারসংক্ষেপ: বর্তমান সময়ে একজন মুসলিম পুরুষের জন্য তার বৈধ স্ত্রী ব্যতীত অন্য কোনো নারীর সাথে সহবাস করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ বা হারাম।
আপনি কি ইসলামি বিবাহ বা পারিবারিক

Comments
Post a Comment