খালেদা জিয়া কথা বলেছেন, তবে এখনো সংকট কাটেনি
খালেদা জিয়া কথা বলেছেন, তবে এখনো সংকট কাটেনি
খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা গত তিন দিনের চেয়ে সামান্য উন্নতি
এখনো সামগ্রিক সংকট কাটেনি। টানা চার দিন ডায়ালাইসিস।
হাসপাতালের সামনে নেতা–কর্মীদের ভিড় না করার অনুরোধ।
বিশেষ প্রতিনিধিঢাকা
আপডেট: ৩০ নভেম্বর ২০২৫, ০১: ০০
ফলো করুন
বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার গুরুতর অসুস্থতার খবরে দলীয় নেতা–কর্মী–সমর্থক ও গণমাধ্যমকর্মীরা রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালের সামনে ভিড় জমান। গতকাল দুপুরে।
বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার গুরুতর অসুস্থতার খবরে দলীয় নেতা–কর্মী–সমর্থক ও গণমাধ্যমকর্মীরা রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালের সামনে ভিড় জমান। গতকাল দুপুরে।ছবি : প্রথম আলো
গুরুতর অসুস্থ বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া গত বুধবার থেকে প্রায় সাড়াহীন ছিলেন। তিন দিন পর গতকাল শনিবার তিনি কথা বলেছেন।
রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালের চিকিৎসক এবং খালেদা জিয়ার পরিবার-ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র গতকাল প্রথম আলোকে এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেছে, সকালের দিকে সিসিইউতে খালেদা জিয়ার শয্যা পাশে থাকা ছোট ছেলে প্রয়াত আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রী শামিলা রহমানের সঙ্গে তিনি সামান্য কথা বলেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা গত বুধ, বৃহস্পতি ও শুক্রবারের চেয়ে গতকাল সামান্য উন্নতি দেখা গেছে। তবে সামগ্রিক সংকট কাটেনি। বিশেষত কিডনির কার্যকারিতা মারাত্মকভাবে কমে যাওয়ায় তাঁকে টানা চার দিন ডায়ালাইসিস করতে হয়েছে।
চিকিৎসকেরা পরিস্থিতিকে এখনো ‘গুরুতর’ হিসেবে বিবেচনা করছেন। তাঁদের পর্যবেক্ষণ হচ্ছে, আগামী কয়েকটি দিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিডনি কার্যক্ষমতায় স্থিতিশীলতা ছাড়া তাঁর সামগ্রিক শারীরিক অবস্থায় স্থায়ী উন্নতি আসা কঠিন।
এই পরিস্থিতিতে খালেদা জিয়ার চিকিৎসায় যুক্ত দেশের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, আমেরিকার জনস হপকিনস হাসপাতালের চিকিৎসক এবং লন্ডন ক্লিনিকের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সমন্বয়ে গঠিত মেডিকেল বোর্ড তাঁর উন্নত চিকিৎসার জন্য আবার বিদেশে নেওয়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে এ ক্ষেত্রে তাঁর শারীরিক অবস্থা বিমান যাত্রার ধকল সামলানোর জন্য কতটা সক্ষম, তার ওপর নির্ভর করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, চিকিৎসকেরা আগামী এক-দুই দিন খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা দেখবেন। সম্ভব হলে তাঁকে আবার লন্ডন ক্লিনিকে নেওয়া হবে, যেখানে তাঁর চিকিৎসা হয়েছিল। সেটি সম্ভব না হলে কম দূরত্বের সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে নেওয়ার চেষ্টা করা হতে পারে। তবে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর গতকাল এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, এই মুহূর্তে অসুস্থ খালেদা জিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বি
দেশে নেওয়ার মতো তাঁর শারীরিক অবস্থা নেই।

Comments
Post a Comment